স্কুলের আগে সংসদ অনলাইনে করা হোক
ইরান যুদ্ধের জের ধরে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শহর এলাকায় অনলাইন ক্লাস চালু হওয়ার খবরে নানা আলোচনা দেখা যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী নিজেই এ ধরনের প্রস্তাবনার কথা জানানোর পর এ নিয়ে নানামুখী প্রতিক্রিয়া আসছে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের পক্ষ থেকে। তদের অনেককেই এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমালোচনা করতে দেখা গেছে।
তারা সরকারের এমন প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছেন, অনলাইন ক্লাস চালু হলে এটি শিক্ষার্থীদের আরো পিছিয়ে দিবে। তাদের অনেকেই এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন বিরত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন।
যদিও সরকারের পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, \"সিদ্ধান্তটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, মন্ত্রিসভায় আলোচনার মাধ্যমে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে\"।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা মঙ্গলবার জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক।
তিনি বলেছিলেন, \"যেহেতু বিশ্বজুড়ে সংকট, এটা শুধু বাংলাদেশের সংকট নয়। আমরা জানি না এই সংকট কতদিন চলবে। সেই কারণে আমরা ভাবছি আমাদের স্কুল সিস্টেমগুলোকে অনলাইনে এনে, অন অ্যান্ড অফ ব্লেন্ডিং সিস্টেম চালু করা\"।
সরকারের এই প্রস্তাবনা নিয়ে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বেশ কয়েকটি স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলেছে বিবিসি বাংলা।
শিক্ষক ও অভিভাবকদের বেশিরভাগই বলেছেন, মন্ত্রণালয়ের এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হলে তার নেতিবাচক প্রভাবই বেশি পড়ার শঙ্কা রয়েছে।






